ডেস্ক নিউজ:
তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে গুজব আর অপপ্রচারের ভিড়ে ‘মানবজমিন’ সত্যের অবিচল হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছে। চটকদার সংবাদের পেছনে না ছুটে পত্রিকাটি গত ২৮ বছর ধরে সাহসের সাথে সাধারণ মানুষের কথা বলেছে। আমরা আশা করি, আগামীদিনেও তারা এই স্বচ্ছতা ও সাহসিকতা বজায় রাখবে। সাতক্ষীরায় দৈনিক মানবজমিনের ২৯তম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় শহরের ম্যানগ্রোভ সভা ঘরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে কেক কাটা ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে দেশের প্রথম ট্যালয়েড পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে পত্রিকাটির দীর্ঘ পথচলার প্রশংসা করে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের প্রথম ট্যাবলয়েড হিসেবে মানবজমিন সাংবাদিকতায় যে নতুন ধারা তৈরি করেছে, তা আজও অতুলনীয়। বিশেষ করে মফস্বলের সমস্যা ও সম্ভাবনাগুলো জাতীয় পর্যায়ে তুলে আনতে এই পত্রিকার ভূমিকা অনন্য। সত্য প্রকাশে আপসহীন থেকে পত্রিকাটি আজ ২৯ বছরে পদার্পণ করল, যেটি সাংবাদিকদের জন্য গর্বের।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ভাষা শহীদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। শেষে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটেন। এ সময় এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরার প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাশেমের সভাপতিত্বে ও বাংলা নিউজের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি তানজির আহমেদের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন মানবজমিনের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি এসএম বিপ্লব হোসেন।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও চ্যানেল আই এর অ্যাড. আবুল কালাম আজাদ, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপি, বাংলা ভিশন ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার প্রতিনিধি মো. আসাদুজ্জামান, বৈশাখী টেলিভিশনের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি শামীম পারভেজ, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম সরোয়ার, মুক্ত স্বাধীন পত্রিকার সম্পাদক আবুল কালাম, পত্রদূতের বার্তা সম্পাদক এসএম শহিদুল ইসলাম, ৭১ টেলিভিশনের বরুণ ব্যানার্জি, ডিবিসি নিউজের এম. বেলাল হোসাইন, এখন টেলিভিশনের আহসান রাজীব, এনটিভির এস এম জিন্নাহ, এশিয়ান টিভির মশিয়ার রহমান ফিরোজ, মোহনা টিভি’র আব্দুল জলিল, চ্যানেল নাইনের মাহমুদ হাসান, গ্রীন টিভি’র খায়রুল ইসলাম প্রমুখ।
এছাড়াও জেলার বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ এবং স্থানীয় সুধী সমাজের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সবশেষে পত্রিকাটির উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করে এবং উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।