বাংলা বাংলা English English
শুক্রবার, জুন ২৫, ২০২১

মালয়েশিয়ায় স্থাপিত হচ্ছে মাইক্রোসফটের ডেটা সেন্টার রিজিওন

সবচেয়ে পঠিত সংবাদ


আহমাদুল কবির, বিশেষ প্রতিনিধি: 

মালয়েশিয়ায় স্থাপিত হচ্ছে মাইক্রোসফটের ‘ডেটা সেন্টার রিজিওন’। আর এই ডেটা সেন্টারের মাধ্যমে মাইক্রসফট আগামী পাঁচ বছরে একশ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে।

দেশটির সরকারি সংস্থা ও স্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নতুন এক অংশীদারি কর্মসূচির আওতায় এই বিনিয়োগ আসবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী।

১৯ এপ্রিল (সোমবার) ‘বার্সামা মালয়েশিয়া’ উদ্যোগের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী তান সেরি মুহিউদ্দিন ইয়াসিন বলেন, এই উদ্যোগেরর অংশ হিসাবে মাইক্রোসফট মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন দেশের ডেটা ব্যবস্থাপনার জন্য একাধিক ডেটা সেন্টার নিয়ে গঠিত তার প্রথম “ডাটা সেন্টার রিজিওন” প্রতিষ্ঠা করবে।

দেশটিতে এই ক্লাউড সেবাদাতাদের বিনিয়োগ আগামী পাঁচ বছরে মোট ১২ বিলিয়ন থেকে ১৫ বিলিয়ন রিংগিত বা ২৯১ থেকে ৩৬৪ কেটি মার্কিন ডলারের মধ্যে হবে। একই কর্মসূচির আওতায় মাইক্রোসফট ২০২৩ সাল নাগাদ ডিজিটাল দক্ষতা অর্জনে প্রায় ১০ লাখ মালয়েশিয়ানকে সহায়তা করবে।

মাইক্রোসফ্ট মালয়েশিয়া
চিত্র: বামদিক থেকে মাইক্রোসফ্ট মালয়েশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে. রামন, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ইয়াব তান শ্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিন ও অনুষ্ঠানের সাক্ষী হিসাবে ডাতুক সেরি ডিআর ইউসুফ বিন ইসমাইল, মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক আধুনিকায়ন ও পরিচালনা পরিকল্পনা ইউনিট (এমএএমপিইউ) এর মহাপরিচালক উপস্থিত ছিলেন। ছবি: মাইক্রোসফট।

মাইক্রোসফটের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট জ্যঁ-ফিলিপ্পে কোতোঁয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন, “ডেটা সেন্টার রিজিওনটি মালয়েশিয়ার জন্য গেইম-চেঞ্জার হয়ে উঠবে,” এটি সরকার এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে তাদের কার্যক্রমকে রূপান্তর করতে সক্ষম করবে।

এ দিকে গত ফেব্রুয়ারি মাসে মালেয়েশিয়া মাইক্রোসফট, গুগল, অ্যামাজন এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টেলেকোম মালয়েশিয়া মিলে হাইপার-স্কেল ডেটা সেন্টার তৈরি, ব্যবস্থাপনা এবং ক্লাউড সেবা দেওয়ার অনুমতি শর্তসাপেক্ষে দেয়। এর পর এটাই দেশটিতে মাইক্রোসফটের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

বিদেশী বিনিয়োগের গন্তব্য হিসাবে মালয়েশিয়া এখনও নিজেকে রক্ষা করে চলেছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হ্রাসের ঘটনা ঘটেছে মালয়েশিয়াতেই।

সম্প্রতি দেশটির অর্থমন্ত্রী বলেন, আরও এফডিআই আকর্ষণ করার জন্য তারা প্রণোদনার বিষয়টি বিবেচনা করছেন। গত বছর দেশটিতে প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ (এফডিআই) শতকরা ৬৮ ভাগ হ্রাসের পর দেশটিতে এই বিনিয়োগ এলো।

- Advertisement -spot_img

সম্পাদক নির্বাচিত

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisement -spot_img

সম্প্রতি সংবাদ